ঈদগাঁওতে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ইউএনও’র কাছে মহিলা মেম্বারের অভিযোগ, নোটিশ পেয়েও হাজির হচ্ছে না চেয়ারম্যান

0
123

বার্তা পরিবেশক ।

কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৈয়দ আলমের খুঁটির জোর কোথায় । ইউএনওর নোটিশে ও হাজির হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন মহিলা মেম্বার নুর জাহান ।

জানা যায়, ঈদগাও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৈয়দ আলম বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাত ও বিভিন্ন দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে গত ১৩ ডিসেম্বর কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মহিলা মেম্বার নুর জাহান। অভিযোগর ভিক্ততে ২০ ডিসেম্বর উভয় পক্ষ কে শুনানীতে উপস্থিত থাকার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়।উক্ত সময়ে মহিলা মেম্বার উপস্থিত হলেও , বিবাদী ঈদগাও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান উপস্থিত না হওয়ায় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবারও ৩১ ডিসেম্বর নোটিশ প্রদান করেন । এরপরও চেয়ারম্যান এ অভিযোগেকে কোন তোয়াক্কা করছে না । মহিলা মেম্বার নুর জাহান জানান ,
, সদর ইউএনও মহোদয় আমার মত একজন নারী আমি ওনার কাছে ন্যায় বিচার পাবো সেটা আমার আশা এবং সরেজমিনে তদন্তপূর্বক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সেটা আমার বিশ্বাস কিন্তু চেয়ারম্যানকে ইউএনও মহোদয় বার বার নোটিশ দেওয়ার পর ও হাজির হচ্ছে না ।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে , ঈদগাঁও ইউনিয়নের ১,২,৩ নং ওয়ার্ড এর মহিলা মেম্বার নুরজাহানকে বর্তমান চেয়ারম্যান সৈয়দ আলম তিন বছর যাবত পরিষদের বিভিন্ন প্রকল্প হতে বঞ্চিত করে আসছে। আবার বিভিন্ন প্রকল্পে তাকে সভাপতি করে তার স্বাক্ষর জালিয়াতি করে এবং এ প্রকল্পের টাকাপয়সার ব্যাপারে কিছু জানায় না। বিজিডি, বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা এবং প্রতিবন্ধী ভাতায় মহিলা মেম্বারের নামে কোন প্রকার বরাদ্ধ দেয় না চেয়ারম্যান।সম্প্রতি জন্ম নিবন্ধন সনদের আবেদন ফরমে মহিলা মেম্বারের স্বাক্ষর দেখলে আবেদন ফরম ছিড়ে ফেলে দেয় এবং পরিষদে চেয়ারে বসতে দেয় না। পরিষদে উপস্থিত হলে ওনার চেয়ারে আরেকজন বসিয়ে রেখে অসম্মান ও নাজেহাল করতে থাকে। ২০১৭ সালে প্রকল্প দেবে বলে চেয়ারম্যান এক লক্ষ টাকা গ্রহণ করে এবং হাওলাত হিসাবেও এক লক্ষ টাকা নেয়। হাওলাদের টাকা বজল মেম্বার এর মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা দিয়েছে চেয়ারম্যান কে। এই টাকা ফেরত চাওয়ার পর থেকে মহিলা মেম্বারের উপর চড়াও হয়ে চেয়ারম্যান বিভিন্নভাবে হয়রানি, নাজেহাল ও মানহানিকর আচরণ করে আসছে। প্রায় সময় জনসম্মুখে খারাপ আচরণ ও হুমকি-ধামকি দিয়ে থাকে যা খুবই লজ্জাজনক। অন্যদিকে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে বরাদ্ধ্ না দিয়ে জন রোষানলে ফেলার পাঁয়তরা করে আসছে।

এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান সৈয়দ আলমের সাথে যোগাযোগে করা হলে তিনি বলেন, বিষয় টি শুনানী হয়েছে।তারপরও এ মহিলা ইউপি সদস্য আমার মানহানি করছে। এবিষয়ে কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমাইয়া আক্তার সুইটির সাথে কথা হলে তিনি এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগটি শুনানী করেছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here