ভালবাসা দিবস কাদের জন্য ?

0
164

মনছুর আলম:-

চলার পথে ভালবাসার কোন শেষ নেই। প্রতিটি সময় ভালবাসার অংশ। চিন্তা করে দেখুন তো- আপনার মাঝে ভালবাসা না থাকলে কেমন কাটবে দিন? এই পৃথিবীতে বসবাসের মাঝে ভালবাসা প্রয়োজন। না হলে মানুষের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যেত না। বলতে পারেন ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালবাসা দিবস কেমনে আসল? কে তার প্রবর্তক? রহস্যটা আসলে কি?
মুল কথা হচ্ছে -১৪ ফেব্রুয়ারি ‘বিশ্ব ভালবাসা দিবস’ ভিন্নধর্মীদের সংস্কৃতি। দিবসটি মুসলমানের জন্য নয়। কেবলমাত্র ইয়াহুদ-খ্রিষ্টানরাই দিনটি মান্য করে।
কারণ, তাদের জীবন যাপনের মাঝে কারো প্রতি কোন ভালবাসা থাকে না। তাদের ভালবাসা মানুষের চেয়ে কুকুরের সাথে বেশি।
ওরা সারা বছর ব্যস্ত থাকে গার্ল ফ্রেন্ড, বয় ফ্রেন্ড নিয়ে। বাস্তব ভালবাসা নিয়ে তাদের কোন খবর থাকে না। সেজন্য তারা বছরে এক দিনকে বিশেষ দিন তথা ভালবাসা দিবস হিসাবে পালন করে। মুসলমানদের জীবনের প্রতিটি মুহুর্ত ভালবাসার। ভালবাসা দিয়েই বিশ্বজয় করেছেন বিশ্বনবী মুহাম্মদ (স.)।
ইয়াহুদি-খ্রিষ্টানরা একদিনই ভালবাসার জন্য নির্ধারণ করেছে। ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালবাসা দিবস হিসাবে নিকট আত্বীয়দের সাথে কাটায়!
দুঃখের বিষয়, আজ আমরা মুসলমানরা বিধর্মীদের সাথে মিলে গেছি। ভালবাসার নামে নগ্নতা চলছে। গা ভাসিয়ে দিচ্ছে আমাদের কলিজার টুকরা সন্তানরা। ভালবাসার নামে যুবক যুবতীরা অবাধ অবাধ মেলামেশা করছে।
আফসোস তাদের জন্য, যারা মুসলমান ঘরে জন্ম নিয়েও অমুসলিমদের সংস্কৃতি নিজেদের ঘরে লালন করছে।
দুঃখ হয়, যখন দেখি আমাদের ভাই বোনেরা ভালবাসা দিবসের নামে নগ্নতায় গা ভাসিয়ে দেয়। বয়ফ্রেন্ড নিয়ে ঘুরে। নিজের ঘরবাড়ি ছেড়ে হোটেলে রাত যাপন করে। কি আশা করা যায় এমন প্রজন্ম থেকে?
এসব কিছু ভালবাসার নামে তামাশা-বেহায়াপনা।
আমাদের ভালবাসা প্রতিটি দিন, এক দিনের জন্য নয়।
আমাদের ভালবাসা পরিবারের সবার জন্য।
বছরের প্রতিটি দিনই আমরা মা, বাবা, ভাই, বোন, বউ, ছেলে, মেয়েকে ভালবাসি।
আসুন, ১ দিনের জন্য নয়, ৩৬৫ দিন ভালবাসা প্রকাশ করি।
ভিন্নধর্মীদের সাথে তাল না মিলিয়ে নিজের ধর্ম অনুসরণ করে চলি।
তাতেই শান্তি-মুক্তি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here