কক্সবাজারের বিভিন্ন অলিগলিতে জম্পেশ আড্ডা, নিষেধ করায় দলিয় পরিচয়ে হুমকি,প্রশাসনের নজরদারি জরুরী

0
168

এমরান ফারুক অনিক

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জনসমাগম ও নিরাপদ দুরত্ব বজায় রাখার সরকারি নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে দেদারছে আড্ডা জমানো হচ্ছে শহরের বিভিন্ন অলিগলিতে। এমন ঘটনায় জনচলাচল সড়কগুলোতে প্রশাসনের জরুরি নজরদারি প্রয়োজন।
কক্সবাজার শহরের পৌর ৭নং ওয়ার্ডের পাহাড়তলি মাঠ সংলগ্ন এলাকায় বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, রাস্তা দখল করে জনসমাগম ঘটিয়ে আড্ডা দিচ্ছেন কিছু ব্যক্তি। এ আড্ডা বিকেলে শুরু হয়ে রাত পর্যন্ত চলে, বাইরে থেকেও এসে আড্ডা জমে। কালুর দোকান-লাইট হাউস প্রধান সড়কটিতে পুলিশ প্রশাসন নিয়মিত টহল দিলেও জনচলাচলের এ সড়কটির দিকে সেভাবে নজর দেন না। এ সুযোগে আড্ডা জমে উঠেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানান, রাস্তা দখল করে বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত জনসমাগম ঘটিয়ে নিয়মিত আড্ডা হয়। এ আড্ডায় স্থানীয় লোকজনের পাশাপাশি মোটর সাইকেল ও ইজিবাইক টমটম নিয়ে বাহির থেকে এসে রাস্তায় আড্ডা দেন। জরুরি প্রয়োজনে কোন মহিলা বেরও হতে পারেন না, যদি বের হয় তাহলে অনেক কষ্টের মধ্যে পড়ে যান।
এ জনসমাগম ও আড্ডার নেতৃত্ব দেন জনৈক মোবারক। যিনি নিজেকে সরকারি দলির নেতা পরিচয় দেন, তবে এক সূত্র জানিয়েছে সে অনুপ্রবেশকারি ‘কাউয়া’ এবং প্রাক্তন শিবির ক্যাডার ছিলেন।
সম্প্রতি আড্ডা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক লেখালেখি হয়েছে। এছাড়া কয়েকজন সচেতন যুবক আড্ডা না দিতে অনুরোধ করলে তিনি নিজেকে নেতা পরিচয় দিয়ে হুমকি-ধমকি প্রদান করেন বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাসের জন্য ৫ম বারের মতো সাধারণ ছুটি ২ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে এবং ১৬ এপ্রিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পুরো দেশকে ঝুঁকিপুর্ণ ঘোষনা করেন।
করোনা ভাইরাস রুখতে ২০ মিনিট পর পর ২০ সেকেন্ড সময় নিয়ে সাবান দিয়ে ভালভাবে হাতধোয়া, প্রয়োজনিয় কাজে বের হলেও জনসমাগম এড়ানো ও নিরাপদ দুরত্ব বজায় রাখা, কুসুম গরম পানি খাওয়া এবং সবচেয়ে বড় ওষুধ বাসায় থাকা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here