ঘুমধুমের ছৈয়দ দফদারকে গ্রেফতারে আর কত প্রমাণ চাই প্রশাসন এলাকাবাসী জানতে চাই

0
329

ক্রাইম প্রতিবেদক

দীর্ঘ দিন ধরে আইনের পোষাকের আড়ালে জমজমাট ইয়াবা ও চাঁদাবাজি করে কোটিপতি হয়ে এলাকাবাসীর উপর অত্যচার করে যাচ্ছে দফাদার ছৈয়দ আলম। তার নির্যাতনে অসহ্য হয়ে প্রশাসনের সাহায্য কামনা করেন ঘুমধুম ইউনিয়নের জনসাধারণ।

জানা যায়, বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের মৃত দলিলুর রহমানে ছেলে ছৈয়দ আলম ( প্রকাশ ইয়াবা ছেয়দ) (৩৫)
মাদক ও চাঁদাবাজি করে কোটিপতির খাতায় নাম লেখেছে বলে এলাকার সচেতন মহলের দাবি।

বাংলাদেশ ও মায়ানমার এর সীমানায় অবস্থিত ঘুমধুম তুমব্রু নামক স্থানটি তার ইয়াবার ঘাটি হিসেবে পরিচিত। ছৈয়দ আলম ঘুমধুম ইউনিয়নের দফাদার হিসেবে কর্মরত আছে দীর্ঘদিন ধরে। সে গ্রাম পুলিশের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে বিভিন্ন অনৈতিক কাজে জড়িত থেকে অবশেষে ইয়াবার মত মরণ নেশায় আসক্ত হয়ে, ইয়াবা ডন ছৈয়দ আলম নামে খ্যাতি লাভ করে ।

এলবাসীর দাবী,গ্রাম পুলিশের পবিত্র পোষাকের আড়ালে চালিয়ে যাচ্ছে যতসব অবৈধ কর্ম। যার অপকর্মের কোন শেষ নেই বলে জানিয়েছেন এলকার সচেতন মহল । গ্রাম বাসী মিডিয়াকর্মীদের আরো জানান,সে বাংলাদেশের যে কোন তথ্যদিয়ে সহযোতা করে মায়ানমার প্রশাসন (নাশাকা) বাহিনী কে। নাশাকা বাহিনীর সাথে সম্পর্ক রেখে চালিয়ে যাচ্ছে তার লক্ষ লক্ষ কালো টাকার জমজমাট মরণ ব্যধি ইয়াবা ব্যবসা।

বরইতলী, জামির তলী, মংজয় পাড়া, বৌদ্দ ছড়া, ভালুকিয়া পাড়ার লোকেরা সংবাদ কর্মীদের জানিয়েছেন, করোনার চেয়ে ভয়ংকর রূপ ধারণ করবে এই এলাকার জন্য, যদি ছৈয়দ আলমের ইয়াবা ব্যবসা,চাঁদাবাজি,অসহায় নিরহ মানুষের উপর নির্যাতন থামাতে না পারে! তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুললে, তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে, প্রতিবাদী ব্যক্তিদের কে তার কাছে জিম্মি করে রাখে। এমনকি মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ করায় বিভিন্ন মিডিয়া কর্মীদের রাতের আঁধারে হত্যার করার হুমকিও দিয়েছে। মায়ানমারের বাহিনী (নাশাকা ) ‘র’ সাথে সম্পর্ক থাকার কারণে অতিদ্রুত মাদক ব্যবসায় কোটি পতি হয়েছে বলে জানা যায়।

তার অপকর্মের বিরুদ্ধে নিউজ করায় সাংবাদিকদের তার কাছে জিম্মি করার উদ্যেশ্যে ৩ মার্চ২০২০ বান্দরবান কোর্টে ৩জন সাংবাদিক আবদুল হাকিম, মোঃ ইয়াকিন, মোঃ মুসলিম উদ্দিন, এর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও আইসিটি মামলা দায়ির করেছে।

তার বিরুদ্ধে নিউজ করায় অতীতেও অনেক সাংবাদিক হুমকির মুখে পড়েছে।
এবং তার অপকর্মের নিউজ সংগ্রহ করতে গিয়ে অতীতে অনেক সংবাদিক লাঞ্ছিত হয়েছে বলে জানাযায় । এবং মোবাইল ফোনে সাংবাদিকদের হুমকির অনেক তথ্য সাংবাদিকদের হাতে রয়েছে।

তার বিরুদ্ধে এলাকার শত শত মানুষ ইউএনও কার্যালয়, থানায়, ঘুমধুম তদন্ত কেন্দ্রে ও ইউপি চেয়ারম্যান এর কার্যালয়ে অনেক অভিযোগ দায়ের করেছে বলে জানাগেছে।

ঘুমধুম তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ( ওসি) দেলোয়ার হোসের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলে কতৃপক্ষ ছৈয়দ এর বিরুদ্ধে তদন্ত করছে।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাথে সাংবাদিক টিম আলাপ করলে, ইউএনও সাদিয়া আফরিন কচি সাংবাদিক দের জানান, তার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ আমার হতে রয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়ার পর থেকে আমার মোবাইলে দফাদার ছৈয়দ আলম ( কল) কোন যোগাযোগ করতে না পারার মত নাম্বার ব্লক লিস্টে ঢুকিয়ে দিয়েছি, এবং তার বেতন স্থগিত রেখেছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here