ঘুমধুম ইউপি সচিব এর বিরুদ্ধে চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ: দূষলেন একে-অপরকে

0
77

অাজিজুল রানা, ঘুমধুম থেকে ফিরে:: বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান -সচিব পরস্পরকে দুষলেন কথিত স্বাক্ষর জালের ঘটনায়। চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর অাজিজ অভিযোগ করেন তার স্বাক্ষর জাল করে সচিব অনেক অপকর্ম করেছে। যা অনেকবার হাতেনাতে ধরে সচিবকে সতর্ক করাও হলেও তা কর্ণপাত করেনি।

এদিকে গতকাল ২২ জানুয়ারী বিকেলে ইউনিয়ন পরিষদের নিজ কার্যালয়ে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের সাথে আলাপকালে তিনি তার সচিবের বিরুদ্ধে এ ধরনের বিভিন্ন তথ্য-উপাথ্য তুলে ধরেন চেয়ারম্যান নিজেই।

চেয়ারম্যান অভিযোগ করে অারো বলেন তার সচিব এরশাদ ট্রেড লাইসেন্স, জন্ম সনদ,জাতীয়তা সনদে তার স্বাক্ষর জাল করেন অনেক কাগজ-পত্রে। তিনি প্রকৃত স্বাক্ষর জাল করে ভয়াবহ প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন মোটা অংকের টাকা। যা তদন্ত করলে সবকিছু বেরিয়ে অাসবে বলে জানান।

জন্ম সনদ সংশোধন করে একজনের নামে অন্যজনের নামে অনলাইন সংশোধন,জন্ম সনদ তৈরিতে চৌকিদার, মেম্বারের স্বাক্ষর বিহীন আবেদন কার্যকর।প্রচুর সংখ্যক জন্ম সনদে তার স্বাক্ষর করাতে গেলে ধরা পড়ে রোহিঙ্গার নাম।
তিনি ( চেয়ারম্যান) নিজেই বহু জন্ম সনদ,জাতীয়তা সনদ আটকিয়ে দেন রোহিঙ্গা পরিচয়ী এবং সন্দেহজনক হওয়াতে।

এখানে সলিমা নামের যে মহিলাটির নাম লিখেছে জন্ম সনদ ও জাতীয়তা সনদে,সে মহিলাটি রোহিঙ্গা। তার নামের জন্ম সনদ ও জাতীয়তা সনদ সচিব এরশাদুল হক নিজেই লিখে আগাম সীল মেরে চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর আদায়ের চেষ্টা করতে গিয়ে ধরা পড়ে। চেয়ারম্যান এ দুটি সনদ আটকিয়ে রাখেন।

এরকম চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর জালিয়াতির অসংখ্য কাগজপত্র নমুনা কপি সাংবাদিকদের দেখিয়ে চেয়ারম্যান বলেন স্বাক্ষরগুলো অামার কিনা অাপনারাই বলুন!

আর সচিবের নানা অনিয়ম দূর্নীতি,অতিরিক্ত টাকা দাবী ও আদায়ের কারণে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গত পরিষদে সকল ইউপি সদস্য-সদস্যাদের স্বাক্ষরিত ব্যবস্থাপত্র তৈরী করা হয়, যা সকলে জানেন।

অপর দিকে সচিব এরশাদুল হক ঘুধধুম ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজের করা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, এ সব চেয়ারম্যনের অপপ্রচার মাত্র। তিনি শীঘ্রই সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে সব তথ্য তুলে ধরবেন সময় হলে। অপেক্ষায় থাকুন সকলে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here