তলিয়ে যাচ্ছে হিমছড়ি পিকনিক স্পট, বিলীন হয়ে যাচ্ছে অপরূপ ঝাউবাগান

0
88

মোঃ আফিফ হিমছড়ি

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র জনপদ কক্সবাজার হিমছড়ি একপাশে সমুদ্র ও একপাশে ঝাউ গাছের সারি সারি দৃষ্টিনন্দন অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি। পর্যটকরা নন্দিত সৈকতের পাশাপাশি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ভরা ঝাউগাছের মাঝে ছবি তুলতে যা সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে।

এই ঝাউ গাছ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজ হাতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বালিয়াড়িতে লাগিয়ে ছিলেন। এক সময় এই ঝাউ গাছের সংখ্যা ছিল অনেক বেশি। দূর থেকে ঝাউ গাছের সারি সারি মেলবন্ধন দেখে যেন প্রাণ হারিয়ে যায়।

কক্সবাজার হিমছড়ি সৈকতের প্রধান সৌন্দর্য ও আকর্ষণীয় দর্শন বলতে সারি সারি ঝাউগাছ কে বোঝায়। কক্সবাজারে আগত পর্যটক বা স্থানীয়রা সমুদ্র সৈকত দর্শন শেষে ঝাউ গাছের মাঝে ছবি না তুললে যেন অপূর্ণতা থেকে যায়।

আজ সেই ঝাউ গাছ প্রায় বিলুপ্তির পথে। প্রতিদিন ৫০-১০০ টি ঝাউগাছ এভাবে বিনষ্ট হচ্ছে। প্রতিদিন এভাবেই ধ্বংস হচ্ছে শত বছরের পুরনো সৃতিগাথা প্রাণের মা মাটির ঝাউগাছ।

প্রতিদিন এভাবে বিলুপ্ত হচ্ছে সমুদ্র সৈকত সৌন্দর্যবর্ধনকারী ঝাউগাছ গুলো। একদিকে সমুদ্র সৈকত অন্যদিকে সারি সারি ঝাউগাছের মেলা যেন অপরুপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি।

তবে কি প্রতিদিন চোখের সামনেই মা-মাটির চরন ভূমির শত বছরের ঐতিহ্যময় ঝাউগাছ গুলো এভাবে বিলুপ্ত হবে?

অন্যধিকে বিলুপ্ত হচ্ছে হিমছড়ির পর্যটন শিল্প জোয়ারের পানির কারনে বিপদের মুখে পড়েছে অনেক দোকানদার এবং হোটেল ব্যাবসায়ী হোটেল মাধবী রেস্তোরাঁ ধচেঁ যাওয়ার কারনে দশথ থেকে পনের লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে
এবং বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর এবং দৃষ্টিনন্দন মেরিন ড্রাইভ টি ভাঙ্গনের আসঙ্কা দেখা যাচ্ছে

কক্সবাজার হিমছড়ি সমুদ্র সৈকতের প্রাচীনতম ঝাউবাগান, মেরিন ড্রাইভ রক্ষার্থে এবং পর্যটন শিল্প কে বাচিয়ে রাখার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করার এবং এ ব্যাপারে হিমছড়ি বাজার ব্যাবসায়ী কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মহোদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here