রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের হাতে অপহরণ হওয়া শাহেদের জানাজা সম্পন্ন

0
103

ওমর ফারুক টেকনাফ:

অপহরণের ২৬ দিন পর গহীন অরণ্য থেকে মাটি খুড়ে যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার (২৪মে) বিকাল সাড়ে ৬টার দিকে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালীর গহীন পাহাড় থেকে মাটি খুড়ে তার লাশ উদ্ধার করে টেকনাফের হোয়াইক্যং ফাঁড়ী পুলিশ।

টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের মিনাবাজার এলাকার মো. হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ শাহেদ (২৬)।অাজ ২৫মে বাদে অাযর জানাযার নামাজ শেষে মিনাবাজারের টেইলাপাড়া কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়।

গত ২৯ এপ্রিল রাতে মিনাবাজারের পাহাড়ী এলাকা থেকে ধান ক্ষেত পাহাড়া দেয়ার সময় শাহেদ সহ ৩জনকে অপহরণ করে নিয়ে যায় রোহিঙ্গা হাকিম ডাকাতের বাহিনী। এর দুইদিন পর অপহৃত আক্তারুল্লাহ নামে এক যুবককে হত্যা করে হোয়াইক্যংয়ের উনচিপ্রাং এলাকায় পাহাড়ের কাছে লাশ ফেলে দেয় হাকিম বাহিনী। আক্তারুল্লাহকে হত্যার পর ফোন করে হত্যার কথা স্বীকার করে শাহেদ সহ দুইজনের জন্য ২০ লাখ টাকা মুক্তিপন দাবী করতে থাকে হাকিম।
এসময় অপহৃতদের উদ্ধারে মানববন্ধন পালন করে স্থানীয়রা।
পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন কয়েকদফা পাহাড়ে অভিযান চালালেও অপহৃত কাউকে উদ্ধার কিংবা ডাকাত দলের কাউকে আটক করতে পারেনি। একপর্যায়ে রবিবার মৃত কাশেমের ছেলে মো: ইদ্রিস নামে অপহৃতদের একজন পালিয়ে আসে।
সে জানায় শাহেদ কে হত্যা করে পাহাড়ে পুঁতে ফেলে ডাকাতরা। পরে তার দেখানো পথে অভিযান চালিয়ে রবিবার বিকালে নিহত শাহেদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে ১নং হোয়াইক্যং মডেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী বলেন ঈদের দিনে দুঃখ ভারাক্রান্ত মনে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী কতৃক অপহরনের পর নির্মম ভাবে হত্যা করল মিনাবাজারের মোঃ শাহেদ ও কাটাখালীর আবদুর রশিদের জানাজা পড়লাম৷পুলিশের আপ্রান চেষ্টা ,জীবনবাজি রেখে গহীন বনে বারবার অভিযানের পরও দুর্ভাগ্য তাদের কে জীবিত উদ্ধার করতে পারলামনা৷ তারা লাশ হয়ে ফিরে আসলো৷

রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী কতৃক একের পর এক বাংলাদেশী নাগরিক কে নির্মম ভাবে হত্যা মেনে নেওয়া যায়না৷ আশ্রিত রোহিঙ্গাদের কাছে আজ স্বাধীন দেশের নাগরিক জিম্মি এটি লজ্জা জনক ব্যাপার। রোহিঙ্গাদের চেয়ে আমাদের জীবনের মুল্য কম হতে পারেনা৷তাদের আমরা মানবতার দোহাই দিয়ে তাদেরকে আমাদের সোনার বাংলায় জায়গা দিয়েছিলাম।

তাই হয়তো অাজ আমাদের এই পরিণতি?
অামরা কোথায় যাব?
অামরা আমাদের জীবনের নিরাপত্তা চায়।আমরা স্বাধীন ভাবে চলাচল করতে যায়।আমাদের জীবন যদি বেঁচে না থাকে মানবতা দিয়ে কি করব?
তারা আমাদের বাঙালি ভাইদের পাখির মতো হত্যা করতেছে।তাদের।তাদেরকে এই মুহূর্তে কটুর ভাবে দমন করতে না পারলে আমাদের উখিয়া টেকনাফসহ সারা দেশের অবস্থা অনেক ভয়াবহ হতে পারে।
তাই উখিয়া টেকনাফ বাসীর পক্ষ থেকে অাপনার কাছে
আমাদের জানমালের নিরাপত্তা বিধানে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের দমনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনে মাননী়য় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি কামনা করছি৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here