হ্নীলা’র পশ্চিম লেদায় রোহিঙ্গা ডাকাতের সাথে ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে সংঘর্ষ: গুরুতর আহত জামাল ডাকাত:

0
1035

মোঃ ইয়াছিন আরফাত হ্নীলা, টেকনাফ

হ্নীলা ইউপির অন্তর্গত পশ্চিম লেদার, পশ্চিম পাহাড়ের কাছাকাছি রোহিঙ্গা ডাকাতের সাথে ভাগবাটোয়ারা নিয়ে স্থানীয় ডাকাত ছিন্নিত সন্ত্রাসী জামাল ডাকাত বিপক্ষের ধারালো চাখোর আঘাতে গুরুতর আহত হয়েছে বলে জানাযায়। জানাযায় সে পশ্চিম লেদার ৮নং ওয়াডের, মৃত: হাইদার আলীর ২নং ছেলে। তার রয়েছে মাড়াল মামলা পাশাপাশি, নারী নির্যাতন, চাদাবাজিসহ, আরো অনেক অপরাধ মূলক মামলা। যার জি,আর নং, ৮৪/২০০৪ইং মামলা নং ২৭/০৬/২০০৪ইং, জি, আর ৩৪৮/২০১৮, থানার মামলা নং ১৪, জি,আর ২০০/১৮ টেকনাফ থানার মামলা নং ১৯/০৪/২০১৮ইং, ৪০৯/১৯ মামলা নং ১৪/০৮/২০১৭ইং এবং তার বিরুদ্ধে জি,ডিও করেছে অনেকে, যার নং ০৫/১১/২০১৯ইং।
স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, সে প্রকাশ্যে বন্দুক নিয়ে ঘুরেবেড়াই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় অনেকে বলে সে নাকি তার রোহিঙ্গা সন্ত্রাস গ্রুপের সহযোগিতায় এলাকার অসহায় মানুষদের ধরে নিয়ে জিম্মি করে হাতিয়ে নেই লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা। আরো জানাযায়, তার রয়েছে রোহিঙ্গা সন্ত্রাস গ্রুপের পাশাপাশি বিশাল অস্ত্রবল। যার ভয়ে এলাকার মানুষ সহজে তার অপরাধ মূলক বিষয়ে প্রতিবাদ করতেও সাহস পায়না। যার ফলে সে নাকি এলাকা নামক ছোট্ট একটি রাজ্যের শাসন কর্তা হিসেবে দাবী করে আসছে নিজেকে। জানাযায় সে এলাকায় চুরি, ডাকাতি, নারী নির্যাতন, চাদাবাজিসহ অনেক অপরাধ মূলকও সরকার বিরুধী কর্মকান্ডে জড়িত। এব্যাপারে তার সাথে ফোনে যোগাযোগ করতে চাইলে মোবাইল সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছেনা বলে ফোন কেটে যায়।
লেদার অনেকে আত্নসমর্পণ করলেও অপরাধ জগতের আরেক পরিচিত মুখ জামাল ও তার সন্ত্রাসী গ্রুপ , এখনো প্রশাসনের চোখে ফাকী দিয়ে প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সুত্রে জানাযায় সে গোপনে তার বিশাল ইয়াবা বানিজ্যের পাশাপাশি অস্ত্রের ব্যবসাও চালিয়ে যাচ্ছে। তার রয়েছে নামে বেনামে জায়গা জমি, ঘর-বাড়ি, এবং এলাকায় বড় বড় অস্ত্রধারী সিন্ডিকেট। প্রশাসনের নাকের ডগায় থাকলেও তারা এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায়। স্থানীয়দের সাথে আলাপ কালে জানা যায়, সে তার রোহিঙ্গা সিন্ডিকেটের, মাধ্যমে ইয়াবা বানিজ্য ও বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকান্ড আদান-প্রদান করে থাকে। টেকনাফ সীমান্তে অপরাধ জগতে পা বাড়িয়ে লাখপতি হয়েছেন এর সঠিক সংখ্যা এখনো অজানা। রাতারাতি কোটিপতি হয়ে এই ইয়াবা ও সন্ত্রাসী গ্রুপের মত অনেকেই এখন নিজ হাতে ইচ্ছামত এলাকা শাসন করছে প্রভাবশালীরা। যেনো তারা এলাকা নামের ছোট্ট একটি দেশের শাসনকর্তা। নিজস্ব বাহিনী তৈরী করে এসব ইয়াবা চোরাকারবারীরা এলাকায় রাম রাজত্ব কায়েম করে বেড়াচ্ছেন। তাদের লাখপতি হওয়ার পেছনে রয়েছে ইয়াবার কালো থাবা। হ্নীলার বিভিন্ন এলাকায় লাখপতির অভাব নেই তা যেমন চির সত্য।
তেমনি পশ্চিম লেদার নুরুজ্জামা পাড়ার জামাল ডাকাত ও তার গ্রুপের অন্যান্য সহযোগী ইয়াবা কারবারি রয়েছে। তারা মাত্র কিছুদিনের ব্যবধানে বিভিন্ন অপরাধ মূলক ও ইয়াবা ব্যবসা করে লাখপতি বনে গেছে বলে জানা যায় স্থানীয়দের কাছে। সরজমিনে গিয়ে জানা যায় এই জামাল ডাকাত গ্রুপের কারণে আশে পাশের এলাকার মানুষ রীতিমত অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। উক্ত সিন্ডিকেটটি এলাকায় ত্রাস চালানোর পাশাপাশি দেদারসে পাইকারী খুচরা ইয়াবা ব্যবসা করে যাচ্ছে বলে এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়। আরও জানা যায় এলাকায় সকলে মিলে ইয়াবা ব্যবসা থেকে শুরু করে সকল অবৈধ কাজ করে সেগুলো আবার নিরীহ মানুষের ঘাড়ে পৌছে দেওয়ার চেস্টা করে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এতে বাধা দিলে তারা এলাকার নিরীহ লোকদেরকে মেরে ফেলার ও মামলায় জড়ানোর হুমকি দেয়। যার ফলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে মামলার তথা নিজের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছে বলে জানায়। আরও জানা যায় অবৈধ টাকার লোভে তারা মানুষকে মানুষ মনে না করে হয়রানী নির্যাতন করে আসছে। এ ব্যাপারে এলাকার নিরীহ লোকজন তাদের কাল টাকা তথা নির্যাতন থেকে বাচতে ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মাননীয় সাংসদ, মাননীয় জেলা প্রশাসক, মাননীয় পুলিশ সুপার, মাননীয় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, মাননীয় ইউএনও, মাননীয় মডেল থানার ওসি, মাননীয় বিজিবির সিও, মাননীয় র্যাব ইনচার্জসহ সকল প্রশাসনসহ কর্মরত সাংবাদিক ভাইদের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অবশেষে টেকনাফ মডেল থানার সুযোগ্য ওসি, অপরাধীদের আতঙ্ক প্রদীপ কুমার দাশের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলে অপরাধী যত বড়ই হোকনা কেনো তাদের কে অবশ্যই আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শান্তি দেওয়া হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here