1. mdjoy.jnu@gmail.com : dainikjoybarta.online : Shah Zoy
  2. nagorikit@gmail.com : Inani News 24 :
সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০১:২৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
হাসি মুখ ফাউন্ডেশন এর ৫ম বর্ষপূর্তি উদযাপন সম্পন্ন। জননেত্রী শেখ হাসিনা যাকেই মনোনয়ন দিবেন তার পক্ষেই কাজ করব – সোহেল সরওয়ার কাজল সমাজে গ্রাম পুলিশদের ভূমিকা অপরিসীম-ঈদগাঁওতে শপথ অনুষ্ঠান রামুতে বসত ভিটা দখল করতে না পেরে দিন দুপুরে সন্ত্রাসীদের হামলায় অন্তঃসত্ত্বা মহিলাসহ দুইজন আহত উখিয়ায় জালিয়াতি করে সহকারী শিক্ষকপদে মহিববুলার অবৈধ নিয়োগ, রয়েছে একাধিক ফৌজদারি মামলা কক্সবাজারবাণী সাংবাদিকরা মানুষের কল্যানে রক্ত দিতে প্রস্তুত : ফরিদুল মোস্তফা খান তারুণ্যের আধুনিকতার মডেল শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৪ তম জন্মবার্ষিকী বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধে জাতীয় প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের শ্রদ্ধা নিবেদন নারী ক্ষমতায়নে হাসি মুখ ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগ। ইয়াবার চালান ধরিয়ে দেয়ার অজুহাতে নয়াবাজারের শাহাব উদ্দিন সিকদারকে হত্যাচেষ্টা

উখিয়ায় জালিয়াতি করে সহকারী শিক্ষকপদে মহিববুলার অবৈধ নিয়োগ, রয়েছে একাধিক ফৌজদারি মামলা

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৭ আগস্ট, ২০২৩
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

আবদুল মালেক সিকদার

উখিয়া উপজেলার  জালিয়াপালং ইউনিয়নের পশ্চিম পাইন্যাশিয়া পাহাড়িয়া এলাকার মৃত ছালেহ আহমদ ডাকাতের চার সন্তান। তারা  হতদরিদ্র ও  নিম্নবিত্ত পরিবার ছিল।  উখিয়া  উপজেলার জালিয়াপালং  ইউনিয়নের লম্বরীপাড়া সরকারি  প্রাথমিক বিদ্যালয় বে -সরকারি ভাবে  স্থাপিত হয় ১৯৮৭ ইংরেজি।
অত্র বিদ্যালয়ের কার্যকরী কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২২ ডিসেম্বর ১৯৮৬ ইংরাজি  উখিয়া জালিয়াপালং ইউনিয়নের পশ্চিম পাইন্যাশিয়া এলাকার মৃত ছালে আহাম্মদের ছেলে মুহিবুল্লাহকে সহকারী শিক্ষক হিসাবে  নিয়োগ দেওয়া হয় । কিন্তু  মুহিবুল্লাহ কে ০১/০১/১৯৮৭ ইংরেজি হতে বিদ্যালয়ের যথারীতি  শিক্ষকতার দায়িত্ব পালন করার জন্য অনুরোধ জানিয়ে  নিয়োগ পত্র দেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি  গুরা মিয়া।  জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্ম তারিখ অনুযায়ী
বিদ্যালয়ে যোগদানের সময় মুহিববুল্লাহ  বয়স ১৫ বছর ১০ মাস,২১ দিন। মহিববুল্লাহর বর্তমান বয়স  ৫২ বছর। মহিববুল্লাহ কে ১৫ বছর বয়সে বিদ্যালয়  কর্তৃপক্ষ  কিভাবে  নিয়োগ প্রদান করেছে।
এদিকে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ইস্যু কৃত  জাতীয় পরিচয় পত্রে দেখাযায়  মুহিববুল্লাহ পিতা ছালেহ আহমদ, মাতা বেগমজান, পশ্চিম পাইন্যাশিয়া জালিয়াপালং উখিয়া। জন্মতারিখ  ০১/০২/১৯৭১ ইংরেজি। ফরম নম্বর ৭৯৬৬১৩, জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর ৫৫২৯১২৯৬৪৪, পিন নম্বর ১৯৭১২২১৯৪৩১৭৯৬৬১৩,  ভোটার নম্বর ২২১৭১২৭৯৬৬১৩ । উখিয়া লম্বরীপাড়া বে -সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয় করণ হয় ০১/০১/২০১৩ ইংরেজি। বর্তমানে জাতীয়করণ হওয়ার পর বিদ্যালের নাম পরিবর্তন করে  লম্বরী পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসাবে  সরকারি তালিকায়  অন্তর্ভুক্ত হয়। বিদ্যালয়টি জাতীয় করন হওয়ারপর মহিববুল্লাহ সহকারী শিক্ষক হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রাথমিক শিক্ষা  অধিদপ্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়  জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী ০১/০৭/২০২১ ইংরেজি তারিখের প্রাপ্য মূল্য  বেতন বিবরনীতে দেখ যায় সহকারী শিক্ষক পদে বর্তমান বেতন গ্রেড স্কেল, গ্রেড ১১ঃ১২৫০০-৩০২৩০।
০১/০৭/২০২১ তারিখের  ইনক্রিমেন্টসহ মূল বেতন ২০৪২০ টাকা। ট্র্যাকিং নম্বর ২১২৩-৫৪৯, এন্ট্রি তারিখ ৩০/০৬/২০২১
বিদ্যালয় টি ০১/০১/২০১৩ ইংরেজি জাতীয় করনের পর মুহিববুল্লাহর মূল বেতন ২১৪৫০, টাকা, বাড়ি বাড়া ৮৫৮০ টাকা, চিকিৎসা ভাতা ১৫০০ টাকা। সব মিলে বেতন পাই ৩২২৩০ টাকা। তার মতো সরকারিভাবে বিপিএপ  কর্তন করা হয় ১৫০ টাকা, জিপিএফ কর্তন করা হয় ২০০০ টাকা। রেভিনিউ কর্তন করা হয়  ১০ টাকা। কর্তন করার পর  মুহিববুল্লাহর সর্বসাকুল্য  বেতন ৩০০৭০ টাকা  টাকা। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রাথমিক শিক্ষা  অধিদপ্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়  জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী ০১/০৭/২০২১ ইংরেজি তারিখের প্রাপ্য মূল্য  বেতন  সহকারী শিক্ষক পদে বর্তমান বেতন গ্রেড স্কেল, গ্রেড ১১ঃ১২৫০০-৩০২৩০ অনুযায়ী ৮ জুলাই  ২০২৩  পর্যন্ত বিপিএপ,জিপিএফ, রেভিনিউ কর্তন করার পর অর্থাৎ  ২ বছর ১ মাসের বেতন সহকারী শিক্ষক হিসাবে  মহিববুল্লাহ পাই ৭,৫১,৭৫০ টাকা।
লম্বরী পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়  সূত্রে জানা যায় মহিববুল্লাহ বিদ্যালয় যোগদান করার পর  প্রায় ৫ বছর  পর্যন্ত  কোন বেতন পায়নি । পরবর্তীতে মুহিহবুল্লাহকে সরকারি ভাবে বেতন দেন  মাসে ৫০০ টাকা করে ৫ বছর পর্যন্ত বেতন দেওয়া হয়।  ৭৫০ টাকা করে বেতন দেওয়া হয়  ৪ বছর পর্যন্ত, ১৩০০ টাকা  টাকা করে ৫ বছর পর্যন্ত বেতন দেওয়া হয়। ১৬০০ টাকা করে প্রায় ৩ বছর,  পরবর্তীতে ৩০০  হাজার টাকা, সর্বশেষ  বেতন দেওয়া হয় ৫০০০ টাকা।  বিদ্যালয়টি জাতীয় করন হয় ১/০১/২০১৩ ইংরেজি।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষক হয়ে অল্পদিনে  কোটিপতির খাতায় নিজের নাম লিখিয়েছেন মহিববুল্লাহ। তার অঢেল সম্পত্তি দেখে হতভম্ব স্থানীয়রা।
মহিববুল্লাহ দুই ছেলে দুই মেয়ে, বড় ছেলে আবদুল্লা আল মামুন বেকার, ছোট ছেলে  লেখা পড়া করে, মেয়ে ইয়াছমিন  আক্তার ও আলিমাতুল সাদিয়া জালিয়াপালং ইউনিয়নে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে কর্মরত আছে।
সহকারী শিক্ষক মহিববুল্লাহ জালিয়াপালং ইউনিয়নে নিজ নামে ২২ ডিসেম্বর ২০২১ ইংরেজি ২১৩১ নম্বর দলিল মূলে নুরজাহান বেগম, নুরছাবা,ইসমাইল থেকে জালিয়াপালং মৌজার ১.৫৪০০ একর জমি  জমি ক্রয় করেন ১ কোটি ২ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা।
২৯ ডিসেম্বর ২০২১ ইংরেজি ২১৮০ নম্বর দলিল মূলে নুরজাহান বেগম থেকে পুনরায়  জালিয়াপালং মৌজার ০.৩০০০ একর জমি ক্রয় করেন ২০ লক্ষ ৪০ হাজার।টাকা দিয়ে। আরও কিছু জমি ক্রয় করার জন্য ৮ লক্ষ টাকা বিক্রেতাকে অগ্রিম প্রদান করেছে ।
মহিববুল্লাহ এলাকায় একটি আতঙ্কের নাম, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এলাকাবাসী জানান  মহিববুল্লাহ  শিক্ষকতা  করলে সেই একজন ভূমিদস্য ওসন্ত্রাসী, এলাকায় জমি দখলসহ  বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ডের সাথে জড়িত এই মুহিবুল্লাহ। মহিববুল্লাহ জামায়াতে ইসলামী রাজনীতির জড়িত।
তার বিরুদ্ধে উখিয়া  থানায় রয়েছে ফৌজদারি  ৩টি মামলা ও সাধারণ ডায়েরি আছে।  আদালতে রয়েছে একাধিক মামলা। মহিববুল্লাহ অল্প বেতন চাকরি কর কোটি টাকা সম্পদের মালিক কিভাবে হল ,  সরেজমিন  তদন্তপূর্বক দ্রুত সহকারী শিক্ষক মহিববুল্লাহর বিরুদ্ধে  আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের প্রতি দাবি জানান স্থানীয় এলাকাবাসী ও সচেতন মহল। মহিববুল্লার ভাই মুফিজুল আলম হল ইয়াবার গডফাদার,তার রয়েছে বিলাসবহুল বাড়ি। তার বিরুদ্ধে হয়েছিল ক্রসফায়ারের অর্ডার। ইয়াবা নিয়ে ধরা পড়ারপর দীর্ঘদিন জেল কেটে সম্প্রীতি জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর পূনরায় আপর দুই ভাই ফরিদুল আলম ও শামশুল আলমসহ  মিলে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে  ইয়াবার  রমরমা ব্যবসা করা যাচ্ছে । মুফিজুল আলমের ইয়াবা পাচার করার জন্য কাজে লাগাচ্ছে স্কুল পড়ুয়া ছাত্র, বেকার যুবক ও স্বামী পরিত্যক্ত  মহিলাদের। টাকার লোভে  লেখা পড়া না করে ইয়াবা ব্যবসায় দাবিত হচ্ছে ছাত্ররা এবং ইয়াবা আসক্ত হচ্ছে   এলাকার  স্কুল পড়ুয়া ও কলেজ পড়ুয়া ছাত্র এবং উঠতি বয়সের  যুবকরা ।
প্রশাসন এই ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে যথার্থ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলেই লেখা পড়ার থেকে ঝড়ে পড়বে  স্কুল কলেজে পড়ুয়া  অনেক ছাত্র । সময় থাকতে এই ইয়া ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য দাবি জানান স্থানীয়রা।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ সালে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ নায়েবে আমির মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর যুদ্ধ অপরাধ মামলার রায়ের ধার্য তারিখ ছিল। উক্ত রায় কে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ সকল সন্ধ্যা হরতাল আহবান করে। যুদ্ধ অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ঢাকা কতৃক মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর ফাঁসির রায় ঘোষণা হওয়ার সাথে সাথে উখিয়া জামায়াতে ইসলামী  নেতারা কক্সবাজার -টেকনাফ মহাসড়কের কোর্টবাজারস্থ জামে মসজিদের সামনে একত্রিত হইয়া হাতে দা,লাটি,বিপদজনক অস্ত্রশস্ত্র নিয়া জঙ্গি মিছিল আরম্ভ করিয়া যানবাহন ভাঙচুর করিতে থাকিলে এতে পুলিশ বাধা দিলে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে  পুলিশের উপর  হামলা করে  এই ঘটনায়  উখিয়া থানার এস আই জাফর আলম বাদি হয়ে জালিয়াপালং ইউনিয়নের পাইন্যাশিয়া এলাকার মৃত ছালে  আহাম্মদের ছেলে মাওলানা মুহিবুল্লাহ কে ২ নং আসামী করে উখিয়া থানায় মামলা দায়ের করে মামলা নং ১/২০১৩ইং, ধারা ১৪৭/১৪৮/১৪৯/১৮৬/৩৩২/৩৫৩/৩০৭/৪২৭ দঃবিঃ
গত ৮ জুন ২০২১ সালে দা,কিরিচ,লোহার রড়, লাঠিসহ দেশীয় তৈয়ারী অস্ত্রশস্ত্র নিয়া বেআইনি জনতাবদ্ধে মিলিত হয়া পূর্ব পরিকল্পিতভাবে জালিয়াপালং ইউনিয়ন পাইন্যাশিয়া এলাকার হাজী মোহাম্মদ কালুর ছেলে মোক্তারের বাড়িতে হামলা করে বাড়ির মালামাল লুটপাট ও ভাঙচুর করে এবং মোক্তার মিয়া ও তার স্ত্রী রওশন আরা বেগমকে মারধর করে গুরুত্বর  আহত হন তিনি, এই ঘটনায় পাইন্যাশিয়া এলাকার  মৃত ছালে আহাম্মদের পুত্র মহিব উল্লাহকে ৩ নং আসামী করে তার ভাইদের বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন মোক্তার আহাম্মদ। উখিয়া থানার মামলা নং ৩৪/২০২১,ধারা১৪৩/৪৪৭/৩২৩/
৩২৫/৩০৭/৩৪২/৩৫৪/৩৮০/৪২৭/৫০৬ পেনাল কোড।
দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মারধর ভাঙচুর জমি দখলের ঘটনায় জালিয়াপালং ইউনিয়নের পাইন্যাশিয়া এলাকার সিরাজ আহাম্মদের ছেলে আবুল কালাম বাদী হয়ে পাইন্যাশিয়া এলাকার  ছালে আহাম্মদের ছেলে মুহিবুল্লাহকে ১ নং আসামী করে তার ভাইদের বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় মামলা করে, উখিয়া থানার মামলা নং ১৩/২০১৬, ধারা ১৪৩/৪৪৭/৩২৩/৩২৪/৩০৭/৩৫৪/৩৭৯/৪২৭/৫০৬ দঃ বিঃ
সরজমিন পরিদর্শনপূর্বক লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক মহিববুল্লাহর সাথে যোগাযোগ করা হলে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ  মিথ্যা বলে দাবি করেন, এবং তাকে ষড়যন্ত্র করে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলে জানান। সম্পদ কিভাবে ক্রয় করছে তার ডকুমেন্ট রয়েছে বলে ও জানান। তিনি আরও দাবি করেন ষড়যন্ত্রকারীরা আমার বিরুদ্ধে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর  অভিযোগ দিয়েছিল তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।
এদিকে উখিয়া লম্বরী পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিদ্যালয়টি  স্থাপিত হওয়ার সময় মহিববুল্লাহর নিয়োগপত্র ও জন্ম তারিখ অনুযায়ী  বয়স পরিপূর্ণ হয়নি। তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের বিষয়ে আমরা জানি না। এ বিষয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।
উখিয়া উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মোক্তার আহাম্মদ জানান, মহিববুল্লাহর বিষয়টি আমরা জানতাম না,উপজেলা শিক্ষা অফিসার এই বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
উখিয়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার গুলশান আক্তার জানান, মহিববুল্লাহর বিরুদ্ধে ফৌজদারি বিভিন্ন  মামলা হয়েছে  আমাদের কে থানার থেকে কোন অবহিত করা হয়নি।  এত সম্পদের মালিক কিভাবে হল তা আমরা জানিনা। ডকুমেন্টসহ আমাদেরকে লিখিত অভিযোগ দিলে শিক্ষক  মহিববুল্লাহর বিরুদ্ধে অবশ্য আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে । কক্সবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মনছুর আলী চৌধুরীর সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে  তিনি জানান, আমি পরিদর্শনে আছি, আমি যোগদান করেছি অল্প দিন হয়েছে।  অভিযোগ পেলে মহিববুল্লাহর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে। এবং উখিয়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার কে ঐ শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করার জন্য  জানানো হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন